আপনার অবস্থান
মুলপাতা > অন্যান্য সংবাদ > ১৬তম টেলি-সিনে সোসাইটি অ্যাওয়ার্ড এর সেরা চলচ্চিত্রের পুরুষ্কার পেলো আয়নাবাজি

১৬তম টেলি-সিনে সোসাইটি অ্যাওয়ার্ড এর সেরা চলচ্চিত্রের পুরুষ্কার পেলো আয়নাবাজি

আয়নাবাজির সাফল্যের অগ্রযাত্রার ধারাহিকতায় যুক্ত হলো আরও একটি বিশেষ অজর্ন। গত ৪ঠা জুন সন্ধ্যায় কলকাতার নজরুল মঞ্চে টেলি-সিনে সোসাইটির ১৬তম পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে সেরা চলচ্চিত্রের অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে বহুল প্রসংশিত ভিন্নধারার দেশীয় এই চলচ্চিত্রটি।

আয়নাবাজি পরিবারের পক্ষ থেকে ছবিটির পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী এবং ছবির কাহিনীকার গাউসুল আজম শাওন অ্যাওয়ার্ডটি গ্রহন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আয়নাবাজি চলচ্চিত্রটির প্রযোজক ও টপ অব মাইন্ড এর সিইও জিয়াউদ্দিন আদিল এবং টম ক্রিয়েশনস এর সিইও সালমা আদিল।

উল্লেখ্য, অমিতাভ রেজা চৌধুরীর পরিচালনায় সম্পূর্ণ দেশে চিত্রায়িত আর্ন্তজাতিক মানের বহুল প্রশংসিত চলচ্চিত্র ‘আয়নাবাজি’ ছিলো দেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে একটি মাইলফলক। মুক্তির অনেক আগে থেকেই দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের আলোচনায় মুখরিত ‘আয়নাবাজি’।

ভিন্নধারার দেশীয় এই চলচ্চিত্রটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয় যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে, ইউরোপীয়ান প্রিমিয়ার হয় ম্যানহাইম-হাইডেলর্বাগে, এবং ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার গোয়া ইন্টারন্যশনাল ফিল্ম ফেসটিভালে। এভাবেই বিশ্বের বিভিন্ন নামি-দামি চলচিত্র উৎসবে অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছে ‘আয়নাবাজি’।

উল্ল্যেখ্য যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ এশিয়ান চলচ্চিত্র উৎসবে বেস্ট নেরেটিভ ফিল্ম এর উপাধি পায় ‘আয়নাবাজি’ এবং সমালচকরা বলছেন তারই ধারাবাহিকতায় দেশীয় চলচ্চিত্র শিল্পে বিশেষ অবদান রাখার জন্য দেশে মেরিল প্রথমআলো অ্যাওয়ার্ডে ২০১৬ এর বেস্ট ফিল্ম এর উপাধি পায়। আর সর্বশেষ কলকাতার টেলি-সিনে সোসাইটির ১৬তম পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে সেরা চলচ্চিত্রের অ্যাওয়ার্ডও পেয়ে গেল আয়নাবাজি।

এ বিষয়ে আয়নাবাজি চলচ্চিত্রটির পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরীর বলেন, -“আয়নাবাজি আজ সারা দেশে ব্যাপক সফলতা অর্জনের পর দেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সীমানা পেরিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে । আয়নাবাজি সবার প্রত্যাশা অতিক্রম করে এখন একটি দেশের আশা ও সপ্নের একটি বাহন হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিন্তাকে চলচিত্রে রূপান্তরিত করতে পারাই একটি অসাধারন কাজ এবং তারপর সেটিকে লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষের পছন্দে রূপান্তরিত করা তার চেয়েও অসাধারন একটি কাজ। টেলি-সিনে সোসাইটির এই অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তি আমাদের চিন্তার সৃজনশীলতার জন্য স্বীকৃতিস্বরূপ”।

আয়নাবাজি চলচ্চিত্রটির প্রযোজক ও টপ অব মাইন্ড এর সিইও জিয়া উদ্দিন আদিল বলেন, – “চলচ্চিত্র হচ্ছে নিজের সংস্কৃতিকে বিনোদনের মাধ্যমে নিজ দেশ ও দেশের সীমানার বাইরে তুলে ধরার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। দেশীয় চলচ্চিত্রের বিকাশকে বিশ্ব দরবারে জানান দেবার একটি প্রয়াশের নাম আয়নাবাজী। এবার আমরা দশর্কদের প্রিয় আয়নাবাজিকে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে পৌছে দেবার জন্য এ ঈদে সাতটি ভিন্ন গল্পে তিনটি টিভি চ্যানেলে নিয়ে আসছি ’আয়নাবাজি অরিজিনাল সিরিজ’।

Comments

comments

একই ধরণের সংবাদ