আপনার অবস্থান
মুলপাতা > অন্যান্য সংবাদ > ফটো ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বিজিএমইএ কমপ্লেক্স ভাঙার দাবি

ফটো ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বিজিএমইএ কমপ্লেক্স ভাঙার দাবি

বিজিএমইএ ভবনের সামনে ফুটপাথ দিয়ে হেঁটে গেলে চোখে পড়বে একটি ব্যানার। দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আলোকচিত্রী, এ্যাক্টিভিস্ট শহিদুল আলমের তোলা ছবি দিয়ে ২০ ফুট বাই ৭ ফুট আকৃতির একটি ব্যানার, সেখানে লেখা ‘মেয়র সাহেব কবে?’

দৃকের গণ সচেতনতা উদ্যোগ ‘আর নয়’ এর ব্যানারে ১১ আগস্ট সকাল ১০টায় হাতিরঝিল এলাকায় বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)-এর অবৈধভাবে গড়ে তোলা বহুতল ভবন ‘বিজিএমইএ কমপ্লেক্স’ ভাঙার দাবিতে একটি প্রতিবাদী ফটো ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। উল্লেখ্য,গত ১২ মার্চ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট অবৈধভাবে গড়ে তোলা ১৬তলা ভবনটি অবিলম্বে সংগঠনের নিজ খরচায় ভেঙে ফেলতে ৬মাস সময় দিয়ে রায় দিয়েছিলেন। এরপর ৫ মাস কেটে গেলেও এই রায় বা প্রক্রিয়ার কোন অগ্রগতি নেই।

আজ সকালে শহিদুল আলম এই ব্যানারের সামনেই পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীদের ‘প্রফেশনাল প্র্যাকটিস’ কোর্সটির সঞ্চালনা করেন। আগামীর আলোকচিত্রীদের তিনি পাঠ দেন কীভাবে শুধু একটি আলোকচিত্র তুললেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না, বরং এই শক্তিশালী মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে সমাজ পরিবর্তন করাও সম্ভব, সম্ভব সমাজের অসঙ্গতিগুলোকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে সকলের সামনে তুলে ধরা।

দৃক সবসময় সামাজিক অসঙ্গতিগুলো শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে অথবা ছবির মাধ্যমে ‘আর নয়’ ক্যাম্পেইনের ব্যানারে সকলের কাছে তুলে ধরে,সকলকে অবহিত করে,প্রেরণা যোগায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে।

২০১০ সালে দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক,আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের একক প্রদর্শনী ‘ক্রসফায়ার’-এর মাধ্যমে ‘আর নয়’ ক্যাম্পেইনের শুরু। এরপর কল্পনা চাকমা গুম,তাজরিন গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি,রানা প্লাজা,ট্যাম্পাকোসহ আর অনেক তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের অকাল মৃত্যু, দৃকের কর্মী ইরফানুল ইসলামসহ দেশজুড়ে গুম-খুন-হত্যা;এ সকল অরাজকতার বিরুদ্ধে দৃকের বলিষ্ঠ অবস্থান ছিল সবসময়। এরই ধারাবাহিকতায় ‘বিজিএমইএ কমপ্লেক্স’ ভাঙার দাবিতে দৃকের এই পদক্ষেপ। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

Comments

comments

একই ধরণের সংবাদ