আপনার অবস্থান
মুলপাতা > অন্যান্য সংবাদ > জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস পালিত

জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস পালিত

“শোভন কর্মপরিবেশ, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ”- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস পালন করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ২৮ এপ্রিল শুক্রবার দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকালে পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি বিষয়ে র‌্যালী বের হয়।

আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমপি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন মেহনতী মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। জাতির জনকের গ্রহণ করা পদক্ষেপেই আমরা এখনো এগিয়ে চলেছি। বর্তমানে বাংলাদেশের উন্নয়ন সারা বিশ্বে মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক এমপি বলেন, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের ৩০৭ জন উচ্চ শিক্ষিত ও দক্ষ পরিদর্শক কারখানা ও প্রতিষ্ঠান সমূহে পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি নিশ্চিতে সাফল্যের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। আরো পরিদর্শক নিয়োগ অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের ৮৩ লক্ষ ইকোনমিক ইউনিটে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে এ অধিদপ্তরের কার্যক্রমের পাশাপাশি ব্যাপক গণ সচেতনতা প্রয়োজন।

সভাপতির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মিকাইল শিপার বলেন, সারা বিশ্বের দশটি শীর্ষ গ্রীন ফ্যাক্টরির মধ্যে সাতটিই বাংলাদেশে অবস্থিত। এটি আমাদের জন্য একটি মাইলফলক। বাংলাদেশের কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান সমূহে পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি নিশ্চিত করতে পরিদর্শন কার্যক্রমের পাশাপাশি আমরা সামাজিক সংলাপ কার্যক্রম গ্রহণ করেছি।

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মোঃ সামছুজ্জামান ভূইয়া বলেন, বর্তমান সরকার জাতিসংঙ্ঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বদ্ধ পরিকর। এ লক্ষ্যমাত্রায় টেকসই শিল্পায়ন, স্বাস্থ্য, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর আবাস এবং টেকসই উৎপাদনকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।

বিজিএমইএ’র সভাপতি মোঃ সিদ্দিকুর রহমান পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি বিষয়ে কলকারখানা মালিকদের উদ্দেশে বলেন, যেসব ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকদের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিরাপদ থাকবে সেসব ফ্যাক্টরিকে আমরা ব্যবসা করতে দেব না।

আলোচনা অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি আলহাজ্জ শুক্কুর মাহমুদ, আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর শ্রীনিবাস বি রেড্ডি, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ  কানাডা ও ইউকে হাইকমিশনার এবং উন্নয়ন অংশীদারবৃন্দ।

Comments

comments

একই ধরণের সংবাদ