আপনার অবস্থান
মুলপাতা > বাজার ও পণ্য > অটোমোবাইল > বাজাজের ‘কিউট’ গাড়ি আনল রানার অটোমোবাইলস্

বাজাজের ‘কিউট’ গাড়ি আনল রানার অটোমোবাইলস্

ভারতের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বাজাজের উন্নত প্রযুক্তির তিন চাকার মালমাল পরিবহন যান এবং চার চাকার যাত্রী পরিবহন গাড়ি ‘কিউট’ বাজারে আনল রানার অটোমোবাইলস্ লিমিটেড। বাজাজের নতুন এসব যানবাহনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও ডিজেল।

বাংলাদেশে পরিবহনের চাহিদা পূরণে বাজাজের নতুন বাহন ‘কিউট’ এবং মালামাল পরিবহনে বাজাজের তিন চাকার যান আনতে সম্প্রতি বাজাজের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি করেছিল রানার অটোমোবাইলস্ লিমিটেড।

আজ সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এসব গাড়ির আনুষ্ঠানিক বাজারজাতকরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, এমপি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নসরুল হামিদ এলপিজি নির্ভর যানবাহন বাজারে আনায় রানার অটোমোবাইলসের প্রশংসা করে বলেন, “এই উদ্যোগ দেশের পরিবহন খাতে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে এলপিজি ব্যবহার নতুন মাইলফলক বলে বিবেচিত হবে। দেশের যানবাহনের ইতিহাসে বাজাজ-রানার অটোমোবাইলস্ লিমিটেডের এই উদ্যোগ নতুন মাত্রা যোগ করবে।”

অনুষ্ঠানে বাজাজের জেনারেল ম্যানেজার (ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস) মনিষ শিং রাথোর বলেন, “বাংলাদেশে বাজাজ এলপিজি এবং ডিজেল চালিত তিন চাকার যাত্রী ও মালবাহী যান প্রথমবারের মতো আনতে পেরে আমরা আনন্দিত। একই সাথে চার চাকার কিউটও রানারের মাধ্যমে বাংলাদেশের বাজারে আনতে পেরে আমরা গর্ববোধ করছি। কারণ এসব যানবাহন এদেশের নিরাপদ, আকর্ষণীয় জ্বালানি সাশ্রয়ী এবং পরিবেশের উপযোগী কিউট বাংলাদেশে পরিবহন খাতে বড় অবদান রাখবে। এছাড়া জনবসতিপূর্ন নগরীর উপযোগী হবে। এরই মধ্যে এটি বিশ্বের ২০টি দেশে বাজারজাত করা হয়েছে।”

রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান বলেন, “আজ আমাদের অত্যন্ত আনন্দের দিন। আমরা সারাবিশ্বের একটি সমাদৃত ব্র্যান্ড বাজাজের সাথে যুক্ত হবার মাধ্যমে রানার অটোমোবাইলস্ লিমিটেড নতুন একটি যুগে প্রবেশ করলো। এই বিকল্প জ্বালানির থ্রি হুইলারের ব্যাপক উপযোগীতা রয়েছে। এটি বাংলাদেশের পরিবহন খানের উন্নয়নে অবদান রাখবে।”

তিনি আরো বলেন, এই উচ্চ ক্ষমতার টেকসই এবং প্রযুক্তি নির্ভর যান পরিবেশ বান্ধব এটি সবুজ বাংলাদেশ গড়তে সহায়ক হবে।

রানার অটোমোবাইলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুকেশ শর্মা বলেন, “পর্যায়ক্রমে রানার থ্রি হুইলার এবং কিউট সরবরাহের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি ভারসম্যপূর্ন ইকো-সিস্টেম প্রতিষ্ঠা করবে। এই যানবাহনগুলো তূলনামূলক কম দামে বিক্রি হবে। ক্রেতার ক্রয় ক্ষমতার উপযোগী প্যাকেজে বিভিন্ন ব্যবহারকারীর কাছে বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে। আগামী নয় মাসের মধ্যে এসব গাড়ি বাজারজাতকরণে ২০টি ডিলার নিয়োগ করা হবে বলে জানান তিনি। ”

সম্প্রতি ঢাকায় শেষ হওয়া ইন্দো-বাংলা মটরশোতে এসব যানবাহন প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রানার অটোমোবাইলসের ডিলার, মালিক সমিতি, চালক সমিতির নেতা, বিভিন্ন এনজিও এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)

Comments

comments

একই ধরণের সংবাদ