আপনার অবস্থান
মুলপাতা > শিল্প ও খাতসমূহ > তথ্য প্রযুক্তি > ২০২১ সালের মধ্যে শতভাগ বাংলাদেশীর জন্য ইন্টারনেট: পলক

২০২১ সালের মধ্যে শতভাগ বাংলাদেশীর জন্য ইন্টারনেট: পলক

“বর্তমানে ১০ লক্ষ বাংলাদেশী অনলাইনে কাজ করে এবং অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রতিবেদন অনুসারে বাংলাদেশ অনলাইন কর্মীর সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এছাড়াও, আগামী ৩ বছরে আইসিটি খাতে ২০ লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে আমাদের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে। এ জন্য আমরা ২৮টি হাই-টেক পার্ক নির্মাণ করছি। পাশাপাশি সকল সরকারি সেবার ৪০ শতাংশ আমরা ডিজিটাল উপায়ে প্রদান করছি এবং ২০২১ সালের মধ্যে ৯০ ভাগ সরকারি সেবা ডিজিটাল উপায়ে প্রদানের জন্য আমরা কাজ করে চলেছি। তাই, ডিজিটাল বংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান আমাদের অন্যতম এজেন্ডা। এ লক্ষ্যে নানামুখী প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা ২০২১ সালের মধ্যে শতভাগ মানুষকে ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় নিয়ে আসব।” গত রাতে(স্থানীয় সময় সকাল ১১.১৫-দুপুর ১২.৪৫টা; বাংলাদেশ সময় রাত ০৯.১৫-রাত ১০.৪৫) নিই ইয়র্কের ওয়ারথনে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত ইমপেক্ট সামিটের প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক এ মন্তব্য করেন।

পলক আরও বলেন, আমাদের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠার জন্যই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে রূপকল্প ২০২১ ঘোষণা করেছেন, তা বাস্তবায়নে আমরা ৪টি মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি–মানব সম্পদ উন্নয়ন, সবার জন্য ইন্টারনেট, ই-গভার্নেন্স প্রতিষ্ঠা ও শিল্পের উন্নয়ন। ফলে, সবাইকে ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় নিয়ে আসতে বিগত আট বছরে আমরা অনেকগুলো উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। বিগত ৩ বছরে সকল সরকারি অফিসকে ইন্ট্রা-নেটওয়ার্ক এর আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং বর্তমানে ইনফো সরকার-৩ ও কানেকটেড বাংলাদেশ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা সারাদেশকে ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় নিয়ে আসতে কাজ করছি। এ সকল কর্মকান্ড বাস্তবায়নে আমরা মোবাইল ফোন অপারেটর, এনটিটিএন ও আইএসপিসহ সবাইকে পিপিপি মডেলের আওতায় নিয়ে এসেছি।

এ সময় অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মকান্ডের নিজস্ব অভিজ্ঞতার বর্ণনা করে এ কর্মকান্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে আইসিটি খাতে নারীর ৫০ শতাংশ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের ওয়াইফাই(উইমেন আইসিটি ফ্রন্ট্রিয়ার ইনিশিয়েটিভ) প্রকল্প চালু করায় সাধূবাদ জানান।

জিডেকা হেরি’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে রুয়ান্ডার যুব ও আইসিটি মন্ত্রী জিন ফিলবার্ট সেজিমনা, পাকিস্থানের আইসিটি প্রতিমন্ত্রী আনুশা রহমান খান ও টার্কসেল এর সিইও কান টার্জিগ্লু বক্তব্য রাখেন। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

Comments

comments

একই ধরণের সংবাদ