আপনার অবস্থান
মুলপাতা > শিল্প ও খাতসমূহ > বিদ্যুৎ ও জ্বালানী > রাশিয়ায় বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করেছে বিশ্বের প্রথম ৩+ প্রজন্মের পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট

রাশিয়ায় বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করেছে বিশ্বের প্রথম ৩+ প্রজন্মের পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট

রাশিয়ার নভোভারোনেঝ পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প-২ এর প্রথম ইউনিটটি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে।

রাশিয়ার সর্বোচ্চ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এই ইউনিটটিতে স্থাপন করা হয়েছে ৩+ প্রজন্মের ভিভিইআর-১২০০ পারমাণবিক রিয়্যাক্টর। বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে অনুরূপ ২টি ইউনিট স্থাপন করা হবে।

ইতোপূর্বে রাশিয়ার পরিবেশ, শিল্প ও পারমাণবিক তত্ত্বাবধান সেবাপ্রদানকারী ফেডারেল সংস্থা- রসটেকনাদজর প্রকল্পটির প্রযুক্তিগত বিধিবিধান এবং এনার্জি দক্ষতাসংক্রান্ত ডকুমেন্ট অনুমোদন করেছে।

উল্লিখিত ইউনিটটি ২০১৬ সালের ৫ আগস্ট রাশিয়ার জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হয়। চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সন্তোষজনকভাবে সম্পন্ন হয়। বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়ার পূর্বে ইউনিটটি ১৫ দিন পরীক্ষামূলকভাবে ১০০% ক্যাপাসিটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।

৩+ প্রজন্মের বিদ্যুৎ প্রকল্পের নকশায় ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ভিভিইআর রিয়্যাক্টর এবং দ্রুত গতির টারবাইন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এতে সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার এক অনন্য সমন্বয় সাধন করা হয়েছে-যা আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি এজেন্সি (আইএইএ) কর্তৃক নির্ধারিত ফুকুসীমা পরিবর্তী চাহিদার সঙ্গে সম্পপূর্ণভাবে সংগতিপূর্ণ।

৩+ প্রজন্মের রিয়্যাক্টরের মূল বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে রিয়্যাক্টর হলের জন্য ডাবল কন্টেইনমেন্ট শেল, রিয়্যাক্টর ভেসেলের তলদেশে অবস্থতি কোর ক্যাচার, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্ঘটনা ও জরুরি অবস্থায় ফিজিক্যাল সুরক্ষা ব্যবস্থা, পাওয়ার সোর্স ছাড়া নিষ্ক্রিয় তাপ নিঃসরণ ব্যবস্থা।

রাশিয়ার সহযোগিতায় বাংলাদেশের রূপপুরে যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণাধীন রয়েছে তাতে প্রতিটি ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২টি ৩+ প্রজন্মের পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট থাকবে। প্রথমটি ২০২৩ এবং দ্বিতীয়টি ২০২৪ সালে চালু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

Comments

comments

একই ধরণের সংবাদ