আপনার অবস্থান
মুলপাতা > শিল্প ও খাতসমূহ > বিমান > এমিরেটস্ গ্রুপের পরিবেশগত প্রতিবেদন প্রকাশ

এমিরেটস্ গ্রুপের পরিবেশগত প্রতিবেদন প্রকাশ

এমিরেটস্ গ্রুপ সম্প্রতি দুবাইয়ে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের পরিবেশগত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এমিরেটস্ গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এমিরেটস্ এয়ারলাইন, ডানাটাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

প্রাইসওয়াটার কুপারস কর্তৃক নীরিক্ষিত প্রতিবেদনে এমিরেটস্ এয়ারলাইনের ফ্লাইট পরিচালনা, ডানাটার কার্গো ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এমিরেটস্ গ্র“প পরিবেশ সুরক্ষায় এবং টেকসই পরিবেশের লক্ষ্যে যে সব কার্যক্রম ও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তার বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত এবং বিবরণ স্থান পেয়েছে।

এ প্রসঙ্গে এমিরেটস্ এয়ারলাইন ও গ্র“পের চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহী শেখ আহমেদ বিন সাইদ আল মাকতুম বলেন, ‘ব্যবসা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যে সব দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছি তাদের জনগণের প্রতি আমাদের দায়িত্ব সম্বন্ধে আমরা সর্বদা সচেতন। জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে এভিয়েশন এবং ভ্রমণ সেবাশিল্প কার্যকরী অবদান রাখতে সক্ষম। এতদ্শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত সব পার্টনারদের সহযোগিতার পাশাপাশি আমরা এমন প্রযুক্তি এবং প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগ অব্যাহত রাখব যার ফলে ন্যূনতম পরিবেশগত প্রভাব নিশ্চিত করে কার্যকরভাবে ও দক্ষতার সঙ্গে সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে।’

পরিবেশের ওপর প্রভাবের ক্ষেত্রে এমিরেটস্ এয়ারলাইন কার্যক্রমের ভূমিকা সর্বাধিক। বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এমিরেটস্ এয়ারলাইন পরিবেশ সুরক্ষায় বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

এমিরেটস্ বিমানবহরটি বিশ্বের সবচেয়ে নবিন এবং যার গড় বয়স মাত্র ৭৪ মাস, যদিও এভিয়েশন শিল্পে এই গড় ১৪০ মাস। নতুন বিমান পরিচালনার ফলে পরিবেশের ওপর প্রভাব কমে এসেছে; কারণ এই বিমানগুলো অপেক্ষাকৃত কম শব্দ দূষণ এবং গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ করে থাকে।

ফ্লাইট সময়, জ্বালানি ব্যবহার এবং নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যে এমিরেটস্ বিশ্বের বিভিন্ন বিমানবন্দর এবং এয়ার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

এ বছরের একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হলো এমিরেটস্ ইঞ্জিন রক্ষণাবেক্ষণ স্থাপনার দিকে ফটোভোল্টিক প্যানেল স্থাপন, যা থেকে বছরে ১,৮০০ মেগাওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে এবং প্রায় ৮০০ টন কার্বন নিঃসরণ হ্রাস পাবে। অন্যান্য উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমানের কেবিন রক্ষণাবেক্ষণে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এলইডি বাতির ব্যবহার। এমিরেটস্রে লন্ডন অফিসটিকে এমনভাবে পুনর্গঠিত করা হয়েছেÑ যাতে বিদ্যুৎ খরচ ৬০% কমে আসে।

দুবাই এবং অস্ট্রেলিয়ায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ প্রচেষ্টার সঙ্গে সহযোগিতা করার পাশাপাশি এমিরেটস্ ‘ইউনাইটেড ফর ওয়াইল্ডলাইফে’র সঙ্গে যৌথভাবে বন্যপ্রাণী এবং এর বিভিন্ন প্রোডাক্ট নিয়ে বেআইনি ব্যবসার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে।

Comments

comments

একই ধরণের সংবাদ