আপনার অবস্থান
মুলপাতা > শিল্প ও খাতসমূহ > তথ্য প্রযুক্তি > অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য গুগল নিয়ে এল ’ডেটালি’ অ্যাপ

অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য গুগল নিয়ে এল ’ডেটালি’ অ্যাপ

গুগল ৩০ নভেম্বর ২০১৭ ডেটালি (Datally) নামে একটি সহজ ও স্মার্ট অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ চালুর ঘোষণা দিয়েছে। এই অ্যাপ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য মোবাইল ফোনের ডেটা বুঝতে পারা এবংতা কন্ট্রোল ও সেভ করার ক্ষেত্রে খুবই সহায়ক হবে।

ডেটালি যে কোনো অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ (ললিপপ) বা আরো আধুনিক সংস্করণের মোবাইল ফোনেই ব্যবহারের উপযোগী। এটি আজ থেকে বিশ্বব্যাপী গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাবে।

সারাবিশ্বে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা ডেটা ব্যবহারে বড় সমস্যায় পড়েন এবং এ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে থাকেন। এই সমস্যার দুর্দান্ত সমাধান দেবে ডেটালি।

দুনিয়া জুড়ে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের ওপর গুগলের পরিচালিত একটি ব্যাপক ভিত্তিক গবেষণায় ওঠে আসে যে স্মার্টফোন ব্যবহারকারী অনেকে তাঁদের স্মার্টফোনে ডেটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবহার নিয়ে সমস্যায় পড়েন এবংউদ্বেগের মধ্যে থাকেন। বিশেষ করে যারা স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নবাগতরা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন, যারা ‘‘নেক্সট বিলিয়ন ইউজার’’ নামে পরিচিত।

স্মার্টফোনে নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা শুধু যে ডেটা ব্যবহারে ভারসাম্য রাখা নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন থাকেন তা-ই নয়, বরং তাঁদের স্মার্টফোন থেকে ডেটা কখন কীভাবে কোথায় চলে যায় সেটিও বুঝতে পারেন না। কারণ কোন অ্যাপ্লিকেশনে (অ্যাপ) কীভাবে ডেটা রাখতে হবে তা তাঁরা জানেন না বলে নিয়ন্ত্রণও করতে পারেন না।

এসব সমস্যার সমাধানে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য গুগলের ডেটালিতে রয়েছে চারটি বিশেষ ফিচার বা বৈশিষ্ট্য। বৈশিষ্টগুলো হচ্ছে:

ডেটা সেভার: ডেটালিতে ডেটা সেভারঅ্যাপ থাকায় স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা যখন-তখন ডেটা ব্যবহার এবং কনটেন্ট ও ইনফরমেশন বা তথ্য আপডেট তথা হাল নাগাদ করে নিতে পারবেন।

ডেটালির ডেটা সেভারটিতে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাপ-বাই-অ্যাপ অর্থাৎ অ্যাপ অনুযায়ী ডেটা কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণের সুযোগ রয়েছে। এর ফলে একজন ব্যবহারকারী যে অ্যাপে ডেটা রাখতে চান সেখানেই থাকবে বা ডেটা সেভ হবে।

যেসব ব্যবহারকারীরা ডেটালি অ্যাপটি টেস্ট করা সুযোগ পেয়েছেন তাঁরা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত মোবাইল ডেটা সেভ করেছেন।

ডেটা সেভারবাবল : ডেটালিতে রয়েছে ডেটা সেভারবাবল। যখন একজন ব্যবহাকারী কোনো অ্যাপে যাবেন বা ঢুকবেন তখন ডেটালির এই ডেটা সেভারবাবল দেখা যাবে। ফলে ওই ব্যবহারকারী সহজেই ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন।

আবার যখন ওই অ্যাপে ডেটা ব্যবহার করা হবে তখন ডেটা সেভারবাবল ডেটা ব্যবহারের কারেন্ট রেট বা অবস্থা দেখাবে। এরফলে একজন ব্যবহারকারী সহজেই ওই অ্যাপের ডেটা কি করবেন সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন কিংবা বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সেটিও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

মোবাইল ডেটা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডেটা সেভারবাবলএকটি স্পীডোমিটারের মতো কাজ করবে।

পারসনালাইজড অ্যালার্ট : ডেটালি অ্যাপে আছে পারসনালাইজড অ্যালার্ট। এর ফলে কোনো অ্যাপে প্রচুর পরিমাণে ডেটা ব্যবহার শুরু হলে, অর্থাৎ কী পরিমাণ ডেটা ব্যবহার হয়েছে সেটি দেখা যাবে। দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিকভিত্তিতে এই অ্যালার্ট দেখা যাবে।

ওয়াই-ফাইফাইন্ডার :ব্যবহারকারীরা কখনো কখনো অধিক পরিমাণে ডেটা ব্যবহার করতে চান। এ ধরনের মুহূর্তে ব্যবহারকারীদের একটি পরিকল্পনা থাকতে হয়, যেমন- কখন তারা এইচডি ভিডিও দেখতে চান। এ ক্ষেত্রে হাই-ব্যান্ড উইথ বা উচ্চ গতিসম্পন্ন পাবলিক ওয়াই-ফাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সে জন্য ডেটালিতে রাখা হয়েছে ওয়াই-ফাইন্ডার, যা ডেটালি কমিউনিটির পরিচালিত নিকটস্থ নেটওয়ার্কের খোঁজ বা তথ্য জানিয়ে দেবে।তখন একবার নেটওয়ার্ক পেয়ে গেলে ব্যবহারকারীরা নিজেরাই তাঁদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক রেট করতে পারবেন।

Comments

comments

একই ধরণের সংবাদ