আপনার অবস্থান
মুলপাতা > কর্পোরেট নিউজ > উৎপাদনে ব্যবহৃত সমপরিমান পানি প্রকৃতিতে ফিরিয়ে দেয়ার সক্ষমতা অর্জনের স্বীকৃতি পেল কোকা-কোলা

উৎপাদনে ব্যবহৃত সমপরিমান পানি প্রকৃতিতে ফিরিয়ে দেয়ার সক্ষমতা অর্জনের স্বীকৃতি পেল কোকা-কোলা

COCA-COLAআজ কোক-কোলা কোম্পানি এবং এর বোতল উৎপাদন কোম্পানি তাদের লক্ষ্য অর্জনের ঘোষণা দিয়েছে যার মাধ্যমে কোকা-কোলা প্রকৃতি থেকে আহরিত পানি ও ব্যবহার শেষে সমপরিমান পানি প্রকৃতিতে ব্যবহার উপযোগী অবস্থায় ফিরিয়ে দেবার সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে প্রথম ফরচুন ৫০০ কোম্পানি হিসেবে মনোনিত হয়েছে।

এছাড়াও কোকা-কোলা সিস্টেম পানির সর্ব উৎকৃষ্ট ব্যবহার নিশ্চিত করতে নতুন লক্ষ্য হাতে নিয়েছে। এর আওতায় কোকা-কোলা ও এর বোতল উৎপাদন কোম্পানি ২০১৫ সালে পানি ব্যবহারের উন্নয়ন ঘটিয়েছে ২.৫% যা সামগ্রিক উন্নয়নের ২৭% বেশী ২০১৪ সালের তুলনায়। কোকা-কোলা সিস্টেম ২০১৫ সালে প্রাকৃতিক পানির উৎসে প্রায় ১৯১.৯ বিলিয়ন লিটার পানি বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ফেরত দিতে সক্ষম হয়।

কোক-কোলার চেয়ারম্যান এবং সিইও মুহতার কেন্ট বলেন – ‘এই অর্জন কোকা-কোলা ও তার অংশীদারদেও জন্য গৌরবের। ২০০৭ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি বর্তমানে আমাদেও ব্যবসায়িক সমৃদ্ধির অনন্য উদাহরণ। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদেও গ্রাহকরা এখন থেকে আতœবিশ্বাসের সাথে কোকা-কোলা খেতে পারবেন কারণ, আমরা ও আমাদের বোতল উৎপাদন কোম্পানি পানির সর্ব উত্তম ব্যবহারের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তা প্রদানে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমরা জানি এটা আমাদেও চুড়ান্ত অর্জন নয়, ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ আকাওে উন্নত পরিসরে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কোকা-কোলা সিস্টেম ২৪৮টি স্থানীয় প্রজেক্টেও মাধ্যমে বিশ্বেও ৭১টি দেশে বিশুদ্ধ পানি সরবারহের সুবিধা প্রদান, জলধারা রক্ষা ও উৎপাদন ক্ষেত্রে পানির বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে কোকা-কোলা এই লক্ষ্য অর্জন করেছে। পানির উৎসে পানি ফেরত আসার পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বিষয়ে কোকা-কোলা সজাগ দৃষ্টি রাখছে, এর মধ্যে রয়েছে স্থানীয় সরকার, বাসিন্দা ও কোকা-কোলার অংশীদারদেও বিভিন্ন প্রয়োজনকে প্রাধান্য দেয়া।

বিশ্বব্যাপী ৮৬৩ টি প্ল্যান্টে কোকা-কোলার ব্যবহারের জন্য যে সকল উৎস থেকে পানি আনা হয় তার গুণগত মান, পরিমান এবং অন্যান্য বিষয় যেমন ব্যবহারের পর তা আবার উৎসে ফেরত আসার সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হয়। যদিও অনেক প্ল্যান্টে প্রাকৃতিক উৎস থেকে আহরিত পানি ও ব্যবহারের পর আবার উৎসে ফেরত আসা পানির ভারসাম্য ঠিক থাকেনা তারপরও এই ধরনের কার্যক্রম যেন স্থানীয় বাসিন্দাদেও উপর দীর্ঘমেয়াদে কোন বিরূপ প্রভাব না ফেলে সে ধরনের নীতিমালা প্রনয়ণ করা হয়েছে।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ড লাইফ ফান্ড (ডাবলিউডাবলিউএফ) এর প্রেসিডেন্ট এবং সিইও এ প্রসঙ্গে বলেন ‘প্রতিটি জীবনই পানির উপর নির্ভরশীল। কিন্তু বর্তমানে বিশ্বে ১% এর কম পানি রয়েছে পরিশোধিত ও পান উপযোগী। সকলের জন্য বিশুদ্ধ পানির নিশ্চয়তায় সকল ধরনের জলধারার সুরক্ষায় আমাদেও সচেতন থাকা উচিত’। তিনি আরও বলেন ‘ এ ধরনের কার্যক্রমে অংশীদারিত্ব বিশেষ ভুমিকা রাখে। পানি সুরক্ষায় কোকা-কোলার এই অর্জন অন্যান্য কোম্পানি থেকে কোকা-কোলাকে বিশেষ পরিচিতি দিবে’।

Comments

comments

একই ধরণের সংবাদ