আপনার অবস্থান
মুলপাতা > কর্পোরেট নিউজ > আরো দুই বছরের জন্য রানারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন সাকিব

আরো দুই বছরের জন্য রানারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন সাকিব

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান অটোমোবাইলস ব্র্যান্ড রানারের সঙ্গে আবারও দুই বছরের জন্য চুক্তি করেছেন। এর মাধ্যমে ব্র্যান্ড দূত (অ্যাম্বাসেডর) হিসেবে তিনি রানার অটোমোবাইলসের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেলের প্রমোশনাল কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত থাকবেন।

গতকাল রবিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে রানারের প্রধান কার্যালয়ে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান এবং সাকিব আল হাসান। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন রানার গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন, রানার অটোমোবাইলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সি ই ও মুকেশ শর্মা এবং গ্রুপের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জানানো হয়, রানার গ্রুপের ব্র্যান্ড আম্বাসেডর হিসেবে সাকিব আল হাসান প্রথম যুক্ত হন ২০১২ সালে। এরপর রানার পরিবারে তার পাঁচ বছর কেটে গেছে। আরও দুই বছরের জন্য চুক্তি নবায়নের ফলে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে এ খেলোয়াড় রানার গ্রুপের সঙ্গে তৃতীয়বারের মতো চুক্তি করলেন।

এই চুক্তির ফলে তিনি রানার ব্র্যান্ডের সকল মডেলের মোটরসাইকেলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসাবে কাজ করবেন। এছাড়া রানার পরিবেশিত বাজাজ থ্রি হুইলার (এলপিজি, ডিজেল, কার্গো) এবং ফোর হুইলার কিউটের প্রচারনায়ও কাজ করবেন।

রানারের এসব অটোমোবাইলস পণ্যের প্রমোশনের জন্য সাকিব আল হাসান প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমের বিজ্ঞাপনে অংশ নেবেন এবং ভিডিও ও ফটোগ্রাফিতে থাকবেন। সেই সঙ্গে কণ্ঠ দেবেন এবং অন্যান্য সোস্যাল মিডিয়ার কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।

এছাড়া ডিলার এবং কাস্টমার মিট, সিএসআর কার্যক্রমে উপস্থিতিসহ শোরুম ডেকোরেশনের ব্র্যান্ডিং, সাইনবোর্ড, ব্যানার, বিলবোর্ডে সাকিব আল হাসানের ছবি ব্যবহার করবে রানার। আগামী দুই বছর রানারের প্রতিযোগী পণ্যের কোন বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ করবেন না।

অনুষ্ঠানে হাফিজুর রহমান খান বলেন, ২০১২ সালে আমরা শাকিব আল হাসানের সঙ্গে চুক্তির পর থেকেই তিনি রানার পরিবারের একজন। রানার এবং সাকিব আল হাসানের শক্তি মানুষের আস্থা যা উভয়কেই স্ব ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনে উৎসাহ যুগিয়েছে। সাকিব আল হাসান একজন বিশ্বসেরা ক্রিকেট অলরাউন্ডার হিসেবে আমাদের জন্য গৌরব। তাকে পেয়ে রানার গ্রুপ ধন্য।

সাকিব আল হাসান বলেন, রানার বাংলাদেশের এক নাম্বার মোটরসাইকেল ম্যানুফ্যাকচারিং ব্র্যান্ড। দেশের মানুষের জন্য এটা গর্বের বিষয় এটিই একমাত্র মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড যারা বিদেশে প্রথম বারের মতো বাংলাদেশি ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল রপ্তানি করেছে। এমন একটি ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত।

অনুষ্ঠানে মুকেশ শর্মা বলেন, রানার এবং সাকিব স্ব স্ব ক্ষেত্রে আস্থা, নির্ভরতা এবং পরিক্ষিত কর্মক্ষমতায় শীর্ষ ব্র্যান্ড। আমাদের মেলবন্ধন রানার গ্রুপকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০০০ সালে মোটরসাইকেল আমদানি করে বাজারজাত শুরু করে রানার। কয়েক বছর পর প্রতিষ্ঠানটি মোটরসাইকেলের পার্টস সংযোজন শুরু করে। আর ২০০৭ সালে ময়মনসিংহের ভালুকায় রানার বাংলাদেশে প্রথম মোটরসাইকেলের কম্পোনেন্টস্ তৈরীর মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে মোটরসাইকেল উৎপাদন শুরু করে-যা বুয়েট এবং বিআরটিএ অনুমোদন দেয়।

পরবর্তীতে ২০১১ সালে রানার পানচিং, ওয়েল্ডিং, পেইন্টিং, এসেম্বলিং, টেষ্টিং ইত্যাদি মেশিনারীজ স্থাপনের মাধ্যমে মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী হিসাবে সরকারী অনুমোদন লাভ করে।

পূর্ণাঙ্গ মোটরসাইকেল কারখানা হিসেবে ২০১২ সালে পুরোদমে উৎপাদন শুরু করে। ইতিমধ্যে ভালুকায় স্থাপিত কারখানায় মোটরসাইকেলের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ যথা: চেসিস, রিয়ার ফোরক, ফুয়েল ট্যাঙ্ক, মেইন স্ট্যান্ড, সাইড স্ট্যান্ড, ফুট পিগ ইত্যাদি তৈরি এবং ইঞ্জিন সংযোজন করা হচ্ছে। এ সকল যন্ত্রাংশ রং করার জন্য অত্যাধুনিক পেইন্ট শপ স্থাপন করা হয়েছে।

রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের পণ্য বহরে ৫০ সিসি থেকে ১৫০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেলের বেশ কয়েকটি মডেল রয়েছে। (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)

Comments

comments

একই ধরণের সংবাদ